ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
দেশজুড়ে
কাঁটাছড়ায় বিট পুলিশিং সভা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি নুরুল আমিনের মিরসরাই উপজেলা পরিষদে নাগরিক সেবার তীব্র ভোগান্তি: ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভায় জনপ্রতিনিধি নেই, বিকল্প ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ চার রাত নিয়ন্ত্রিত থাকবে কর্ণফুলী টানেলের যান চলাচল ​ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিলেটে অসন্তোষ, সমাধানের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের মানিকদিতে মধ্যরাতের আতঙ্ক: অন্ধকারে এলোপাতাড়ি গুলিতে রক্তাক্ত শিক্ষার্থী লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, শর্তসাপেক্ষে চালু আদ্-দ্বীন হাসপাতাল দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথম বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মী নিহত, পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ টুথপেস্টেও মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে যা করবেন চা শিল্পের বিকাশে নতুন উদ্যোগের ইঙ্গিত, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

রাজাকারের তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংসদে তোপের মুখে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মোজাম্মেল হক

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২০   ৫১০ বার পঠিত
রাজাকারের তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংসদে তোপের মুখে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মোজাম্মেল হক

বিতর্কিত রাজাকারের তালিকা প্রকাশ নিয়ে সংসদে তোপের মুখে পড়েন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের ক্ষোভের জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজাকারের তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা সক্রিয় ছিল কিনা, তা শুধু যাচাই করার ব্যাপার। তবে ওনাদের নাম যে তালিকায় আছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এ ব্যাপারে সব ডকুমেন্টারি এ্যাভিডেন্স আছে। তবে বিষয়টি আরও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দুঃখ প্রকাশ করে ইতিমধ্যে তালিকাটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সবার সহযোগিতা নিয়ে যাচাই-বাছাই করেই স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, রাজাকারের তালিকা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে প্রণয়ণ করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চাহিদার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে ১০ হাজার ৭৮৫ জন রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি তালিকা এ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। প্রাপ্ত তালিকা হুবহু মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওই তালিকা প্রস্তুত করেনি, সেহেতু কারও গাফিলতি থাকলে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিতে পারে।

এ ব্যাখ্যার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্নকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন রতন সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেই, এই কথাটি সরাসরি বলা যায় না। কারণ ওই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এটা প্রকাশ হয়েছে। এ তালিকা সঠিক আছে কিনা, তা দেখার দায়িত্ব ছিল মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের। প্রকৃত রাজাকাররা এই তালিকায় আসেনি।

 

 

 

 

 

জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি আগেই দুঃখ প্রকাশ করে সেই তালিকা প্রত্যাহার করে নিয়েছি ভুলত্রুটি থাকার কারণে। ভবিষ্যতে যাতে আর ভুলত্রুটির পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য আমরা সবার সহযোগিতা নিয়ে এবং সম্পূর্ণরূপে যাচাই-বাছাই করে ভবিষ্যতে তালিকা প্রকাশ করব।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল আমরা কোনো তালিকা তৈরি করব না। আমাদের লক্ষ্য ছিল যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে তাদের তালিকা বিদ্যমান আছে সেই তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আমি মন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি। কেননা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী দিয়েছে সেটা আমরা জানি না, যেহেতু মালিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাই তারাই তালিকাটি প্রকাশ করতে পারত। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী কেন সেটা প্রকাশ করলেন? উনি (মন্ত্রী) সঠিক তালিকা প্রকাশ করতে পারেননি, পারবেনও না।

 

 

 

 

 

 

জবাবে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, সংসদে আমি এই কথাই বলেছিলাম। আমরা কোনো তালিকা তৈরি বা প্রকাশ করব না। ঘটনাটাও তাই হয়েছে। আমরা যেটা পেয়েছি সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও প্রণয়ন করেনি, তাদের কাছে যা সংরক্ষিত ছিল তাই দিয়েছে। তালিকায় যাদের নাম গিয়েছে তারা শুধু সক্রিয় ছিল কিনা, তা শুধু যাচাই করার ব্যাপার। তবে ওনাদের নাম যে তালিকাতে আছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমার যেটা অভিজ্ঞতা হয়েছে তালিকা করতে, তখন মেম্বর-চেয়ারম্যানদের কাছে চাওয়া হয়েছে, কারা কি করবে? তারা সমানে তাদের অজ্ঞাতেই হয়তো বা অনেকের নাম দিয়েছে। সেজন্যই এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই করেই তালিকা প্রকাশ করব।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa