বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব না এনে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হবে।
গত ১ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে একের পর এক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তিনি জাতীয়করণের জন্য একটি সমন্বিত ও স্পষ্ট নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দেন।
নীতিমালায় কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে অগ্রাধিকার পাবে, কী কী যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কোন মানদণ্ডে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে—এসব বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, নীতিমালা কার্যকর হলে ভবিষ্যতে ইচ্ছামতো বা বিচ্ছিন্নভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ থাকবে না। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পর জাতীয়করণের জন্য বিবেচিত হবে।
এর ফলে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রস্তাবগুলো মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়াও সহজ হবে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ৯২ হাজার ৩৯২টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ২৬ হাজার ৫৮০টি এমপিওভুক্ত এবং ৬৬ হাজার ২৮৭টি নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান।


মন্তব্য করুন