‘জর্দানে নিপীড়নের শিকার চুনারুঘাটের কিশোরী’ শিরোনামে একটি জাতিয় দৈনিকে গত ৩ জানুয়ারী সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে জর্দানের রাজধানী আম্মানের বাংলাদেশ দূতাবাসের কনসুলারের। পরে খাদিজাকে উদ্ধার করে দূতাবাসে নিয়ে আসেন এক কর্মকর্তা। ১৪ দিন দূতাবাসে অবস্থানের পর তাকে শনিবার রাতে এমিরেটস বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হচ্ছে। বিষটি নিশ্চিত করেছেন খাদিজার বাবা মরম আলী।
জানাযায়, জর্দানে নারী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যাওয়া খাদিজা বাথরুম থেকে মোবাইলে ইমোতে ভিডিও কলে তারা বাবার সাথে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেছিল তাকে দেশে নিয়ে আসার জন্য। সে আর সইতে পারছেনা। ০১ জানুয়ারী বুধবার গভীর রাতে কথা গুলো বলেই আর যোগাযোগ নেই।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের দিন মজুর মরম আলীর মেয়ে মোছা. খাদিজা আক্তার (১৬)কে উপজেলার আমরুট গ্রামের দালাল সুন্দর আলীর ছেলে আলফি মিয়া ঢাকার পুরানা পল্টনের ফোর স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিঃ এর মাধ্যমে দেড় মাস আগে জর্ডান পাঠান। অভাব-অনটনের সংসারে ৪ মেয়ে, ২ ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে মরম আলি একটু সচ্ছলতার জন্য দালালদের প্ররোচনায় খাদিজাকে জর্ডান পাঠিয়ে ছিলেন তিনি।
অসহায় বাবা মরম আলি বলেন, সরকারের মাধ্যমে আমার সন্তানকে দেশে ফেরত আনা হচ্ছে খবরটি শুনে আমি খুব খুশি। আমি এখন খদিজাকে এক নজর দেখার আশায় প্রহর গুনছি।