বাবা কমল হাসান কোনো বিষয়ে আপত্তি জানালে পাল্টা যুক্তি দেন অভিনেত্রী শ্রুতি হাসান। মজার ছলে বাবাকে মনে করিয়ে দেন, তাঁকে এভাবেই বড় করেছেন তিনিই। ছোটবেলা থেকেই সমাজের প্রচলিত নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করতে এবং নারীর স্বাধীনতা ও সমতার পক্ষে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন কমল হাসান।

সম্প্রতি টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে ‘টুইক ইন্ডিয়া’র এক আলাপচারিতায় নিজের বেড়ে ওঠা, ব্যক্তিত্ব গঠন এবং বাবা-মায়ের প্রভাব নিয়ে কথা বলেন শ্রুতি।

অভিনেত্রীর মতে, তাঁর মা সারিকা স্বাধীনচেতা নারীর উদাহরণ। তবে পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একজন পুরুষ যখন নারীদের ঘিরে প্রচলিত ধারণা ভাঙেন, তখন তার প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বাবার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে শ্রুতি জানান, ছোটবেলা থেকেই তাঁর চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে কমল হাসানের বড় ভূমিকা রয়েছে। বাবার কাছ থেকেই প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে প্রশ্ন করতে শিখেছেন তিনি।

বাবার প্রভাব নিজের ব্যক্তিত্বে কতটা গভীর, তা বোঝাতে মজার ছলে নিজেকে ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানব’ বলেও উল্লেখ করেন শ্রুতি।

তাঁর কথায়, ‘ছোটবেলা থেকেই বাবা সত্যিই আমার সবচেয়ে বড় সহযোদ্ধা। সেই কারণেই আমি ওকে বারবার বলি, আমি যেন ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানব!’

কমল হাসান শুধু মেয়ের ক্ষেত্রেই নয়, সাধারণভাবেই নারীদের প্রতি সমতা ও স্বাধীনতার দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বাস করেন বলে জানান শ্রুতি।

অন্যদিকে, বাবার মেয়ে হওয়ার কারণে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মজার ছলে শ্রুতি বলেন, ‘বাবা আমার কোনো কিছুতেই কখনও বিশেষ খুশি হন না। একেবারে আদর্শ ভারতীয় বাবা!’