চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। দীর্ঘদিন এলাচ মজুত করে কৃত্রিমভাবে বাজারমূল্য বাড়ানোর চেষ্টা, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ছাড়া জিরা বিক্রি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পরিচালিত অভিযানের তথ্য সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায় অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানায়, খাতুনগঞ্জের ইলিয়াস মার্কেটে অবস্থিত হাসান করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে এলাচ মজুত করে রেখেছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে এলাচ মজুত রাখার তথ্য অভিযানে উঠে আসে। পণ্য মজুত করে কৃত্রিমভাবে বাজারমূল্য বাড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই এলাকার নবী সুপার মার্কেটের আরাফাত ট্রেডিংয়ে আমদানি করা জিরার বস্তায় উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া কদমতলী এলাকার আলম হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও প্রক্রিয়াকরণের দায়ে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ ও সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান।

উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং দাম বাড়ানোর চেষ্টা ঠেকাতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মজুত করা পণ্য দ্রুত বাজারে ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কেউ অবৈধভাবে পণ্য মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পণ্যের মেয়াদসংক্রান্ত তথ্য না থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অভিযান শেষে জব্দ করা জিরা ও এলাচ দ্রুত ন্যায্যমূল্যে বাজারজাত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।