সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা বিবেচনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, বিমানবন্দরে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

ট্রাম্প জানান, হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ হয়েছে। তবে সৌদি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে তারা অত্যন্ত খারাপ কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক মানুষ। নিহতদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ হামলার জন্য ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের পক্ষ থেকে বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, হুথিদের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরবের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও হামলার জবাবে ওয়াশিংটন সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়ালে ইয়েমেনকে কেন্দ্র করে চলমান আঞ্চলিক সংকট আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।