
বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় যেকোনো ধরনের নির্মাণকাজের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ।
কই সঙ্গে মহাস্থানগড় সংরক্ষণে ২০১২ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা আপিলের অনুমতিও দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
রোববার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য মহাস্থানগড়ে বিশেষ করে নারীদের নামাজের স্থান ও ওয়াশরুম নির্মাণ প্রয়োজন।
এসব প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ দিতে ২০১২ সালের রায়ের সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধনের আবেদন করেন তিনি।
তবে রিটকারীর পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ নির্মাণকাজের বিরোধিতা করে বলেন, মহাস্থানগড় গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা।
এটি ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রাথমিক তালিকায় রয়েছে।
ত্নতাত্ত্বিক এলাকার ভেতরে নতুন নির্মাণকাজ হলে এর সংরক্ষণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
মহাস্থানগড় সংরক্ষণে ২০১০ সালে জনস্বার্থে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)।
রে ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট মহাস্থানগড়ের সীমানার মধ্যে যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
সম্প্রতি মহাস্থানগড় এলাকায় প্রায় ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের উদ্যোগ নেয় সরকার।
আপিল বিভাগের রোববারের আদেশের ফলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় নতুন কোনো নির্মাণকাজ করা যাবে না।
