
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নাপা সিরাপ খেয়ে ইয়াছিন খান (০৭) ও মোরসালিন খান (০৫) নামে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত কাজ শুরু করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটি। রোববার (১৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে গিয়ে নিহত দুই শিশুর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা।
ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আকিব হোসেন। তার সঙ্গে অধিদপ্তরের দুইজন উপ-পরিচালক ও দুইজন সহকারী পরিচালক এবং একজন পরিদর্শক আছেন। তদন্ত কমিটি মৃত দুই শিশুর মা লিমা বেগম, চাচা উজ্জল মিয়া ও দাদি লিলুফা বেগমের সাক্ষ্য নেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. আকিব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, যে সিরাপটি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেটি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। একই ওষুধের অন্যান্য ব্যাচের ওষুধ সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ্ জানান, দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পৃথকভাবে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ঔষধ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ঔষধ অধিদপ্তর। এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের থেকে পরিদর্শন টিম গঠন করা হয়েছে।
জেলা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউছার জানান, দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জেলার ফার্মেসিগুলোকে আপাতত নাপা সিরাপ বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো শিশুর ক্ষতি হয় সেই চিন্তা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
