

বিপিএলের ফাইনালে খুলনা টাইগার্স কে হারিয়ে শিরোপা জয় করলো রাজশাহী রয়্যালস। শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রান করে রাজশাহী। রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন ইরফান সাকুর আর পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজ করেন ঝড়ো ২০ বলে ৪১ রান। খুলনার পক্ষে দুই উইকেট পান মোহাম্মদ আমির।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুলনার শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি। প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনার কে হারায় খুলনা তবে সামছুর রাহমান ও রেইলি রুশোর ব্যাটে দশ ওভার অবধি জয় দেখছিল খুলনা। মোহাম্মদ নওয়াজের বলে আন্দ্র রাসেলের তালু বন্দি হওয়ার আগে রেইলো রুশো করেন ৩৭ রান। সামছুর রাহমান ফিফটি করে কামরুল ইসলামের শিকার হলে রাজশাহীর বোলারদের সামনে আর কেউ দাড়াতে পারেনি।
শেষ ৫ ওভারে ৬০ রান দরকার ছিল খুলনার। মুশফিকের সঙ্গে উইকেটে ছিলেন রবি ফ্রাইলিঙ্ক। লক্ষ্যটা কঠিন হলেও উইকেটে মুশফিক থাকায় আশা ছিল খুলনা সমর্থকদের। কামরুল ইসলামের করা ১৬তম ওভারে ৯ রান আসায় শেষ ৪ ওভারে সমীকরণ নেমে আসে ৫১ রানে। এখান থেকে পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ ইরফানের করা ১৭তম ওভার থেকে ১১ রান নিয়ে শেষ অঙ্কে জমজমাট ফাইনালের আভাস দেন মুশফিক। ম্যাচ ১৮ বলে ৪০ রানের সমীকরণে থাকতে বল করতে আসেন রাজশাহী অধিনায়ক রাসেল। এরপরই ঘুরে গেল ম্যাচের মোড়।
১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে দুর্দান্ত এক ইয়র্কায় তুলে নেন মুশফিককে। অধিনায়কে অধিনায়ক বধ! মুশফিক আউট হওয়ার মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য। খুলনা ১২ বলে ৩১ রানে পিছিয়ে থাকতে ফ্রাইলিঙ্কের সঙ্গে এসে যোগ দেন পেসার শহীদুল ইসলাম। ১৯তম ওভারে ইরফান এসে তুলে নেন ফ্রাইলিঙ্ককে (১৫ বলে ১২)। ওই ওভারে ১ রানে ১ উইকেট নেন ইরফান। ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানি পেসার। ২৯ রানে ২ উইকেট কামরুল ইসলামের। ২ উইকেট নেন রাসেলও।
সিরিজ ও ম্যাচ সেরার পুরুস্কার উঠে আন্দ্র রাসেলের হাতে।


