ঢাকা
১৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
Advertise with us

রাস্তায় নামাজ আদায়ে শুভেন্দুর নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬   ৭৩ বার পঠিত
রাস্তায় নামাজ আদায়ে শুভেন্দুর নিষেধাজ্ঞা

‘শুভেন্দু অধিকারী রাস্তায় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করেছেন’, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিজেপি নেতা ও ব্যারাকপুরের সাবেক সংসদ সদস্য অর্জুন সিংয়ের দেওয়া এই বিবৃতির পরে দেশটিতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারের পর একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ও বিপক্ষে অনেকে যুক্তি তুলে ধরতে শুরু করেছেন।

ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে অর্জুন সিং বলেন, ‘ক্যাবিনেট মিটিংয়ে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন। রাস্তায় নামাজ পড়া বরদাস্ত করা হবে না। মসজিদে নামাজ পড়লে কোনো আপত্তি নেই কিন্তু রাস্তায় পড়া যাবে না।’

এর আগেও একাধিকবার বিজেপির বিভিন্ন নেতাদের রাস্তা আটকে নামাজ পড়ার বিরুদ্ধে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।

অর্জুন সিং আরো বলেন, ‘গরু পাচার, চোরা কারবার ও পুলিশের উপর ঢিল-পাটকেল ছোড়ার বিরুদ্ধেও কঠোর হয়েছে সরকার।’

প্রসঙ্গত, গত বছর কলকাতার রেড রোডে ঈদের নামাজ আয়োজনের অনুমতি প্রথমে দেয়নি সেনা বাহিনী। কলকাতার এই রাস্তাটি সেনা বাহিনীর অধীনে আছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, সেনার অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে পরে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসে সেনা বাহিনী ও অনুমতি দেয়।

তবে রেড রোডে নামাজ পড়া নিয়ে আপত্তি ছিল বিজেপির একাধিক নেতার, তারা গণমাধ্যমের সামনে এই বিষয় নিয়ে আপত্তিও তুলেছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা সোমবার ১১ই মে তাদের প্রথম বৈঠক করে। এর পরে পুলিশ, জেলাশাসকদের উদ্দেশ্যে তিনি একাধিক নির্বাহী আদেশ দেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এই আদেশগুলি অনেক সময়েই বৈঠক করে ঠিক করা হয়। অনেক সময়েই এর লিখিত কোনো কপি প্রকাশিত হয় না। এগুলি মূলত প্রশাসনের দৈনন্দিন কাজের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য।

ভারতের সংবিধানের ৭৭ নম্বর ধারায় রাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেট ও রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেটকে এই ধরনের অর্ডার দিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এমন আদেশ সত্যিই দেওয়া হয়েছে তবে তাতে নির্দিষ্টভাবে নামাজ বন্ধ করার কোনো উল্লেখ নেই।

অল ইন্ডিয়া হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ আবদুল সেলিম বলেছেন, ‘কাটা মাংস ঢেকে বিক্রি করা ও শব্দ নিয়ন্ত্রণের মতো একাধিক নির্দেশিকা সমর্থনযোগ্য।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us