ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর পর্দায় পরিচিত খলনায়ক হিসেবে। তবে ব্যক্তিজীবনে স্ত্রী জোবায়দা রব্বানী মিতার সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন ভালোবাসা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে। এবার সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করার ক্ষেত্রে ত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেতা।

প্রায় এক দশকের প্রেমের সম্পর্কের পর ১৯৯৩ সালে মিতার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিশা সওদাগর। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তাঁরা একসঙ্গে পথ চলছেন।

এই দম্পতির দুই ছেলে। তাঁরা দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করছেন। সন্তানদের পাশে থাকতে বছরের একটি বড় সময় যুক্তরাষ্ট্রে কাটান মিশা ও মিতা। বর্তমানে তাঁরা ছেলেদের সঙ্গেই রয়েছেন।

সম্প্রতি স্ত্রী মিতার সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন মিশা সওদাগর। ছবির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নিজের উপলব্ধি তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘সম্পর্ক স্থায়ী করতে হলে স্যাক্রিফাইস করতে শিখুন।’

অভিনেতার এই সংক্ষিপ্ত বার্তায় উঠে এসেছে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার গুরুত্ব। কারণ, কোনো সম্পর্কেই সব সময় নিজের ইচ্ছা, অভিমান কিংবা প্রত্যাশা অনুযায়ী সবকিছু হয় না। মতের অমিল থাকলেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনে নিজের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসা সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে ভূমিকা রাখে।

দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে মিশা সওদাগরের এই উপলব্ধি ভক্তদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ভালোবাসার পাশাপাশি পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান ও বোঝাপড়াই যে সম্পর্কের স্থায়িত্বে গুরুত্বপূর্ণ, তাঁর বক্তব্যে সেই বার্তাই ফুটে উঠেছে।

মিশা সওদাগর ও মিতার দীর্ঘ সংসারজীবন এবং অভিনেতার এই বার্তা নতুন করে মনে করিয়ে দেয়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শুধু ভালোবাসা প্রকাশই নয়, একে অপরের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়াও প্রয়োজন।