
রাজশাহীর তানোরে শীতবস্ত্র বিতরণ নিয়ে রাজশাহীর তানোরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ উভয় গ্রুপের অনন্ত ১২জন আহত হয়েছেন। শনিবার( ৪ জানুয়ারী) বিকেলে উপজেলার কামারগাঁ ইউপির ভবানিপুর মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেকের শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কামারগাঁ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি মাহাবুল হোসেন বকুল, তানোর উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক হিমেল, কামারগাঁ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি ওবাইদুর রহমার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শামসুল আলম, সামাদ, একরামুল, বাবু, গোলাম মোস্তফা, মান্নান মেম্বরসহ দুই গ্রুপের প্রায় ১২জন আহত হয়েছেন। তবে অনেকের নাম পাওয়া যায়নি।
আহতদের তানোর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও রাজশাহীতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ওবায়দুর রহমানের অবস্থা আশংকাজনক।
স্থানীয়রা জানান, এমপি প্রত্যাশি সুলতানুল ইসলাম তারেকের লোকজন মাদারীপুর ভবানীপুর মাদ্রাসায় কম্বল বিতরণের আয়োজন করেন বিকালে। অপর দিকে তানোর থানা যুবদলের সদস্য সচিব শরিফ মুন্সীর লোকজনের সঙ্গে বাকবিতন্ডা জড়িয়ে একপর্যায় তাদের হাতা হাতির ঘটনা ঘটে। এতে তারেকের কর্মী কামারগাঁ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি ওবাইদুর রহমান গুরুত্বর আহত হয়। বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় তারেকের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফ মুন্সীর লোকজনদের মারপিট করে। এতে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধারওয়ার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার আগ মুুহুতে দুই গ্রুপ সংর্ঘ বাধে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশি সুলতানুল ইসলাম তারেকের পক্ষে তানোর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সামশুল ইসলাম ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওবাইদুর রহমান তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য পূর্ব ঘোষিত ভবানিপুর মাদ্রাসা মাঠে সভাস্থলে উপস্থিত হন। পরে বিএনপি নেতা মান্নান মেম্বার ও সুলতানের নেতৃত্বে তাদের অনুষ্ঠান পন্ড করার পরিকল্পনা করা হয়।
এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সামশুল ইসলাম ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওবাইদুর রহমান প্রতিবাদ করেন। পরে উভয়ের গ্রুপের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে থানাপুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এ বিষয়ে রতানোর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সন্ধ্যা ৭টার অবদি কোন পক্ষ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
