ঢাকা
১৫ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
Advertise with us

স্কুল ও মাদরাসা তিন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০২০   ২৬১ বার পঠিত
স্কুল ও মাদরাসা তিন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নাটোরের বড়াইগ্রাম ও মানিকগঞ্জে দুই স্কুলছাত্রী এবং নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক মাদরাসাছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেন্দুয়ার ছাত্রীটিকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অভিযোগে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বড়াইগ্রামে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক স্কুলছাত্রের (১৭) বিরুদ্ধে গত শনিবার রাতে থানায় মামলা করা হয়। অভিযুক্ত ছাত্র উপজেলার বড়াইগ্রাম সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং এবার এসএসসির অনিয়মিত পরীক্ষার্থী। বড়াইগ্রাম থানার উপপরিদর্শক আহসান হাবীব জানান, শনিবার সকালে স্কুলছাত্রী বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বাজিতপুর দাখিল মাদরাসার কাছে তার পথ রোধ করে ছাত্রটি। পরে সে তাকে মাদরাসার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। পথচারীরা মেয়েটির কান্না শুনে এগিয়ে গেলে ছাত্রটি পালিয়ে যায়। মেয়েটির মেডিক্যাল চেকআপ করা হয়েছে। বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ঘটনায় শিক্ষক আবদুল হালিম নেওয়াজ সাগরের (৩৫) বিরুদ্ধে গত রবিবার রাতে কেন্দুয়া থানায় মামলাটি করেন ছাত্রীটির অভিভাবক। অসুস্থ ছাত্রীটি নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আসামি নেওয়াজ সাগর কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের আমতলা আশরাফুল উলুম জান্নাতুল মাওয়া মহিলা কওমি মাদরাসার শিক্ষক ও চর আমতলা গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রীকে মাদরাসার টয়লেটে চার মাস আগে ধর্ষণ করেন নেওয়াজ সাগর। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে কয়েক দিন আগে কৌশলে ওষুধ খাইয়ে তাকে গর্ভপাত করানো হয়।

কেন্দুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ্ খান জানান, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গত রবিবার বিকেলে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান এবং স্থানীয় পেমই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক উজায়ের আল-মাহমুদ আদনান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মানিকগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল কাদের (৭০) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। নির্যাতিত শিশুটিকে গতকাল সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন।

পরিবার ও পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল শিশুটি। এ সময় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ফাঁড়িরচর এলাকায় আব্দুল কাদের ঘাস কাটছিলেন। তিনি শিশুটিকে ডেকে নিয়ে ভুট্টাক্ষেতে ধর্ষণ করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি কান্নাকাটি করলে কাদের পালিয়ে যান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তারেক পারভেজ জানান, মামলায় আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হবে।

{প্রতিবেদনটি তথ্য দিয়েছেন নাটোর, মানিকগঞ্জ ও কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি}

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us