তৃণমূল জনগোষ্ঠির সামাজিক নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে সমাজ সেবা অধিদপ্তর। কিন্তু কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সমাজ সেবা অফিস চলছে তার উল্টো। কুষ্টিয়া দৌলতপুরে সমাজ সেবা অফিসের দূর্নীতি এখন প্রকাশ্য আর অনিয়ম পরিনত হয়েছে নিয়মে। ফলে ক্ষুন্ন হচ্ছে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি। এ অফিসে টাকা দিলে মেলে সেবা, না দিলে হয়রানি। দূর্ণীতির আঁতুড়ঘর দৌলতপুর সমাজসেবা অফিসের কাছে অসচ্ছল প্রতিবদ্ধি সবাই বন্দি।
টাকা দিলে মুক্তি, না দিলে হুমকি। অভিযোগ উঠেছে, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে সমাজসেবা অফিসারের দালালদের দিতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। এছাড়াও যাদের কার্ড রয়েছে তাদের কাছ থেকেও আদায় করা হয় টাকা। টাকা না দিতে চাইলে দেওয়া হয় কার্ড বাতিলের হুমকি। আবার টাকা দিলেও কার্ড পেতে ঘুরতে হয় দীর্ঘদিন। দৌলতপুর সমাজসেবা অফিসের দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেবা গ্রহীতারা। সমাজসেবা অফিসের এমন কর্মকান্ডকে ন্যাক্যারজনক বলছে সুশীল সমাজ। এমনকি তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবী করছে তারা।
এ বিষয়ে একাধিক ভুক্তভোগী জানায়, দৌলতপুর সমাজসেবা অফিসের দালালের মাধ্যমে টাকা না দিলে মিলেনা কোন কার্ড। তাই এক রকম বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে কার্ড করতে হয়। আবার টাকা দিয়েও দীর্ঘদিন ঘুরতে হয় কার্ড পাওয়ার জন্য। কার্ডধারী সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ঘুরে সেলিম মেম্বার ও রতন দালালের কাছে দশ হাজার টাকা প্রদানের মাধ্যমে মিলেছে তাদের কার্ড। এ বিষয়ে, সেলিম মেম্বার ও রতন দালাল অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
আমি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কারো কাছে থেকে টাকা গ্রহন করি নাই। এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সানোয়ার আলি দালাল নিয়োগের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তদন্ত করে দেখা হবে। এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানায়, এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Development by: webnewsdesign.com