প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ফেনীর পরশুরামের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ফেনীতে তাঁর প্রথম সফর। দিনব্যাপী সফরে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তাঁর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন।
সফরের শুরুতে বেলা সাড়ে ১২টায় পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি।
গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের অনুমোদন দেয়। এর আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সিলোনিয়া নদীতে বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যাবেন। দুপুর সাড়ে ১টায় বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। পরে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন এবং সেখানে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন।
ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট ক্ষমতার ব্যবস্থা রয়েছে।
সফরের শেষ দিকে বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে।






মন্তব্য করুন