রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলো এখনো দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যেই গত শুক্রবার দেশে মুক্তি পেয়েছে নতুন দুই সিনেমা—‘আতরবিবিলেন’ ও ‘মানুষটিকে দেখ’।
প্রান্তিক নারী আতরবিবির জীবন-সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘আতরবিবিলেন’। স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবতার কঠিন চাপে বারবার প্রতারিত হতে হয় তাকে। সমাজের ভদ্রবেশী স্বার্থান্বেষী মানুষের বিরুদ্ধে তার লড়াই এবং প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলার গল্পই এই সিনেমার মূল উপজীব্য। এতে প্রান্তিক নারীদের কঠিন বাস্তবতা ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে।
সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারজানা সুমি, যিনি এর প্রযোজকও। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরো অভিনয় করেছেন মুস্তফা প্রকাশ, রাশেদ মামুন অপু, আশীষ খন্দকার, এলিনা শাম্মী, সানজিদা মিলা, জয়রাজ, পারভেজ সুমন, ফরহাদ লিমন, কাজী উজ্জ্বল প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মিজানুর রহমান লাবু; পরিচালনার পাশাপাশি কাহিনি, সংলাপ ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি।
অন্যদিকে সেরিব্রাল পালসি সম্পর্কে প্রচলিত কুসংস্কার ও সামাজিক কলঙ্ক দূর করা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছে ‘মানুষটিকে দেখ’। ইংরেজি নাম ‘সি দ্য পারসন’। এটি পরিচালনা করেছেন গাজী রাকায়েত, যা তার তৃতীয় চলচ্চিত্র। এর আগে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘মৃত্তিকা মায়া’ ও ‘গোর’।
‘মানুষটিকে দেখ’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ফরিদা—এক তরুণী, যে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত এবং হুইলচেয়ারে চলাফেরা করে। সমাজের অবহেলা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যের মধ্যেও সে দমে যায় না; বরং এমন রোগে আক্রান্ত মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রামে নামে। এ সংগ্রামে তার সঙ্গে যুক্ত হয় ফিরোজ নামের এক তরুণ, যে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করে। তাদের যৌথ লড়াইয়ের গল্পই উঠে এসেছে চলচ্চিত্রটিতে।
সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) অর্থায়নে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাশনা শারমিন কেমি, তাহমিদ আরেফিন হক, তারিক আনাম খান, মিলি বাশার, মামুনুর রশীদ, রহমত আলী, গাজী রাকায়েত, শতাব্দী ওয়াদুদ, লারা লোটাস, এহসানুর রহমান, কাজী নওশাবা, রাজীব সালেহীন, ভ্যালেরি অ্যান টেইলর প্রমুখ।
Development by: webnewsdesign.com