বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন। শনিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে দলে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাদের বরণ করে নেন এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী এবং উত্তরা অঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক ও তানোর উপজেলার মুন্ডুমালার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম, রাজশাহী নিউ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান, গোদাগাড়ী ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ এবং বাগমারা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এনামুল হকের নেতৃত্বে এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদস্যসচিব আতিকুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য দেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন।রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সেবা
মনিরা শারমিন বলেন, “ক্ষমতা নয়, জনতাই এনসিপির শক্তি। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ক্ষমতা ছেড়ে জনগণের মাঝে এসেছেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও তিনি সরকারি গাড়ি নেননি। এটাই প্রমাণ করে, আমরা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করি না, বরং তা রক্ষা করি।”
নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, “গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহীর মানুষের বড় ভূমিকা ছিল। রাজশাহীবাসী কখনো সন্ত্রাস ও দখলদার রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি। ভবিষ্যতেও তারা একই অবস্থানে থাকবে। এনসিপির নেতাকর্মীরাও কোনো দলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেবে না।”
পাটোয়ারী বলেন, “আমরা দেখছি, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে মিছিল করছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করেন, তাহলে সেটি হবে বড় ধরনের রাজনৈতিক ভুল। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে সবার আগে তারেক রহমানই রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”কৃষি সংবাদ বিভাগ
তিনি বলেন, “আপনি যদি কোনো ধরনের সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিক ভিন্ন অবস্থান নেন, তাহলে আমাদের অবস্থানও ভিন্ন হবে। আমরা একসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করেছি, কিন্তু সেখান থেকে সরে গেলে আমরা নিজেদের মতো করে আলাদা পথ বেছে নিতে বাধ্য হবো।”
Development by: webnewsdesign.com