আবাসিক হোটেলে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণ করায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে চরফ্যাসন থানা পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে চরফ্যাসন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ দিলে পুলিশ মামলাটি রুজু করে। মামলার প্রেক্ষিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, চরফ্যাসন উপজেলার মুজিব নগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমির হোসেন ব্যাপারীর ছেলে সোহাগ (২৫), বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট কাঁচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নাগর পাটোয়ারীর ছেলে পারভেজ ও নিলফামারি জেলার সৈয়দপুর থানার রসুলপুর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আজমল হোসেনের ছেলে মোতালেব।
মামলা সূত্রে জানা যায়, লালমোহন উপজেলার স্বর্ণালী সড়কের বাসিন্দা ওই গৃহবধূর সাথে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মুজিব নগর ইউনিয়নের সোহাগের সাথে মোবাইল ফোনে দীর্ঘদিন কথপোকথন হয় এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে গত শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চরফ্যাসনে নিয়ে আসে। রাতে হাসপাতাল সড়কের সেবা হোটেলে নিয়ে যায়। গভীর রাতে সোহাগ হোটেলের ২১নং কক্ষে জোরপূর্বক ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এছাড়াও সহায়তাকারী হিসেবে হোটেলের ম্যানেজার মোতালেব ও পারভেজ সোহাগকে সহায়তা করে ওই গৃহবধূকে কাউকে এঘটনার কথা না বলার জন্য হুমকি দেয় বলেও সূত্রে জানা যায়।
এ ঘটনায় চরফ্যাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন বলেন, লালমোহন উপজেলার ওই গৃহবধূর সঙ্গে সোহাগের মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় এবং সোহাগ ওই গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে জানা গেছে।
গৃহবধূ থানায় অভিযোগ দিলে সোহাগসহ তার দুই সহায়তাকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Development by: webnewsdesign.com