চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশে ঝটিকা ও বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, সার চোরাচালান, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা, বিভিন্ন পরোয়ানা এবং মাদকবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক দিকনির্দেশনায় গত কয়েকদিনে থানা এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের চুম্বক অংশ:
অবৈধ বালু উত্তোলন: জিলতলী পাহাড়ি নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৪টি ট্রাকসহ (মোট ৮০০ ঘনফুট বালু) ৭ জন চালক ও হেলপারকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গত ৩ নভেম্বর সকালে বারইয়ারহাট পৌরসভার অলংকার হোটেলের সামনে থেকে এসআই (নিঃ) মামুন হাসানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সার চোরাচালান মামলা: ৩০১ বস্তা সার চোরাচালানের ঘটনায় রুজু হওয়া মামলার তদন্তে প্রকাশিত পলাতক ৩ জন আসামিকে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেন এসআই (নিঃ) মোঃ সাদ্দাম হোসেন।
ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা: এসআই (নিঃ) মতিউর রহমানের নেতৃত্বে বারইয়ারহাট বাজার এলাকা থেকে বিস্ফোরক ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার (মামলা নং-০৫) এজাহারনামীয় পলাতক আসামি কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও মাদকবিরোধী সাজা: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ১ জন এবং সিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া, মীরসরাই উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীরুল কাদেরের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক সেবনের অপরাধে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
পুলিশের কঠোর হুশিয়ারি
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে থানা পুলিশের নিয়মিত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে যথাযথ পুলিশ পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন