রাজশাহীর কাটাখালীতে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষের ঘটনায় মাইক্রোবাসের একমাত্র বেঁচে যাওয়া যাত্রী পাভেলের (১৮) এখনোও জ্ঞান ফেরেনি তার। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করছেন চিকিৎসকেরা।
পাভেলের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার দাড়িকাপাড়া গ্রামে। তিনি স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়েন। পাভেলের মামা মো: লিটন মিয়া বলেন, পাভেলের জন্য গ্রামের সবাই দোয়া করছেন। চিকিৎসক বলেছেন, পাভেলের মাথায় আঘাত গুরুতর নয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, পাভেলের এখনো জ্ঞান ফেরেনি। তাঁর মাথায় আঘাত রয়েছে। তবে সেটা অস্ত্রোপচার করার মতো গুরুতর নয়। তাঁর ডান হাতের ওপরের অংশ ভেঙে গেছে।
তিনি বলেন, তাঁর লাইফ সাপোর্টের এখনো প্রয়োজন পড়েনি। আগামীকাল পর্যন্ত দিনটি দেখা যাক। জ্ঞান না ফিরলে ৭২ ঘণ্টা পর আবার সিটি স্ক্যান করে দেখা হবে। তাঁরা আশা করছেন, পাভেল সুস্থ হয়ে উঠবেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দুপুরে রাজশাহীর কাটাখালী থানার সামনে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে যায়। আগুনে পুড়ে মারা যান মাইক্রোবাসে থাকা ১৭ যাত্রী। তাঁরা সবাই রংপুর থেকে রাজশাহীতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পুড়ে যাওয়ায় আরোহীদের চেহারা বিকৃত হয়ে যায়।
প্রথমে ধারণা করা হচ্ছিল ওই মাইক্রোবাসে ১৭ জনই যাত্রী ছিল। কিন্তু পরে জানা যায়, ওই মাইক্রোবাসে ১৮ যাত্রী ছিলেন। সেখান থেকে একমাত্র বেঁচে গেছেন পাভেল। ওই মাইক্রোবাসে পাভেলের বাবা মোখলেসুর রহমান (৪০) আর মা পারভীন বেগমও (৩৫) ছিলেন। তাঁদের মরদেহ রংপুরে দাফন করা হয়েছে।
দৈনিক বাংলাদেশ মিডিয়া/এসআরসি-২৯
Development by: webnewsdesign.com