রাজশাহীতে ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ ওয়াকিটকি ও রাইফেল উদ্ধারসহ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

রাজশাহীতে ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ ওয়াকিটকি ও রাইফেল উদ্ধারসহ দুই সদস্য গ্রেপ্তার
apps

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি সেট ও একটি রাইফেল উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার মথুরাপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মথুরাপুর এলাকার বাসিন্দা আবদুল হালিম (২৯) ও আবু বাশার (২৭)।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, গ্রেপ্তাররা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং ‘সিক্স স্টার গ্রæপের’ নামের স্ব-ঘোষিত স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ জানায়, সেনাবাহিনীর বাগমারা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর আসিফ রায়হানের নেতৃত্বে একটি দল ভোরে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নিজ নিজ বসতবাড়ি থেকে আবদুল হালিম ও আবু বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি সেট এবং একটি পয়েন্ট টু-টু রাইফেল উদ্ধার করা হয়। পরে সেনাবাহিনী গ্রেপ্তার দুজনকে বাগমারা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

স্থানীয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাহেরপুর এলাকায় ‘সিক্স স্টার গ্রুপের’ আত্মপ্রকাশ ঘটে। গ্রুপটির সদস্যরা ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ওয়াকিটকি ব্যবহার করে এলাকায় চলাচল ও প্রভাব বিস্তার করত। পুকুর খননসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নানা অপরাধমূলক কর্মকাÐের সঙ্গেও তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত ২৮ নভেম্বর তাহেরপুর পৌরসভার যুবদলের আহ্বায়ক এসএম আরিফুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টে হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় যুবদল নেতা গুরুতর আহত হন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

এবিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের শেষ পর্যায়ে পুলিশ সহযোগিতা করেছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার দুজনকে থানায় হন্তান্তর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও অপরাধের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Development by: webnewsdesign.com