যৌতুকের মামলায় গাইবান্ধায় পুলিশ কনস্টেবলকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার (২২ নভেম্বর) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক উপেন্দ্র চন্দ্র দাস এ আদেশ দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নবীদুল ইসলামের বাড়ি জেলার ফুলছড়ি উপজেলার মধ্য উড়িয়া গ্রামে। তিনি রাজশাহী রেঞ্জে কনস্টেবল হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে নবীদুল একই উপজেলার পূর্ব ছালুয়া গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে লিপি আক্তারকে সাত লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে নবীদুলের দাবি অনুযায়ী যৌতুক দিতে না পারায় স্ত্রীকে প্রায়ই নির্যাতন করত।
২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি ফুলছড়ি আমলি আদালতে যৌতুক মামলা করেন স্ত্রী। পরে এ মামলায় স্বামী নবীদুল ২০১৯ সালের ৬ মার্চ আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করলে ছয় দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পায় সে।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আসামি নবীদুল এর আগে দেনমোহরের টাকা একযোগে পরিশোধের শর্তে জামিন পায়। কিন্তু পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ে দেনমোহর পরিশোধ না করে আদালতে গড় হাজির থাকে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
এ রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি।
আদালতের পাবলিক প্রসিউকিটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে তাকে দ্রুত গ্রেফতারের আদেশ দেন বিচারক।
Development by: webnewsdesign.com