মাধবপুরে বিনোদনের নামে পার্কে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ দেখার কেউ নেই

রবিবার, ১১ জুন ২০২৩ | ৭:৩৬ অপরাহ্ণ

মাধবপুরে বিনোদনের নামে পার্কে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ দেখার কেউ নেই
মাধবপুরে বিনোদনের নামে পার্কে চলছে অনৈতিক কার্যকলাপ দেখার কেউ নেই
apps

মানুষ একটু ছুটি বা অবসর পেলেই খোলা জায়গায় বিভিন্ন পার্ক বা উদ্যানে ঘুরতে যান প্রকৃতির সান্নিধ্য লাভের আশায়। এই কর্মব্যস্ত, যান্ত্রিকতার মধ্য থেকে কিছুটা সময় খোলা আকাশের নিচে কাটানোর জন্য ছুটে যান আশেপাশের স্থানীয় পার্ক বা উদ্যানে।কিন্তু এ-সব পার্ক বা উদ্যান এখন অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে অশ্লীলতা। বিনোদনের জন্য তৈরি হলেও হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মালঞ্চপুর গ্রামে অবস্থিত মালঞ্চপুর পিকনিক পার্কে বিনোদনের নামে প্রকাশ্যে চলছে অশ্লীলতা, অসামাজিক কার্যকলাপ। সর্বত্র অশ্লীলতার ছড়াছড়ি পার্কটিতে। বিনোদন বলতে কিছুই নেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই পার্কটিতে ভীড় জমায় অসংখ্য প্রেমিক যুগলের।

সরজমিনে দেখা গেছে, মালঞ্চপুর পিকনিক পার্কে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়ষ্ক যুবক-যুবতী অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। পার্কের ভিতরে টিন সেট ছোট রুম করা আছে। এসব রুম ঘন্টায় ১ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হয় বলে জানা যায়। প্রেম ভালোবাসার নামে এখানে লঙ্ঘন হচ্ছে অবাধ মেলামেশা ও অশ্লীলতার চরম সীমা। ভালোবাসার নামে প্রকাশ্যেই তারা একে অপরকে জড়িয়ে নানা আপত্তিকর কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে স্কুল কলেজের ইউনিফর্ম পরা বেশির ভাগ জুটি, স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে চলে এসেছে এখানে। আশেপাশে রিক্সায় বেড়াতে দেখা যায় যুবক এবং যুবতিদেরকে।

স্থানীয় রিক্সাওয়ালাদের প্রশ্ন করলে তারা জানান, আমাদের ডাবল ভাড়া দেয় আর তারা রিক্সায় বসে ফুর্তি করে চলে যায়। পার্কের পাশে থাকা স্থানীয়রা জানান, এসব অসামাজিক কাজ এখানে প্রায়ই হয়ে থাকে। তবে তারা জানান পার্কের কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহন করলে এসব অশ্লীল আর অসামাজিক কাজ বন্ধ করা সম্ভব হতো। এ ব্যাপারে পার্কের পরিচালক ইমরান আহমেদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন -বর্তমানে পার্কটি সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে চলছে। যে কেউ পরিবার নিয়ে এখানে সময় কাটাতে আসতে পারে।

সাংবাদিকদের হাতে আসা বেশকিছু ভিডিও সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন এগুলো পার্কটি তৈরি করার আগের ভিডিও। এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত ঈদুল ফিতরের পূর্বেই পার্কটি বন্ধ করার জন্য মালিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদি বন্ধ না করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Development by: webnewsdesign.com