ভোলার চরফ্যাসনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জেলে কন্যা ধর্ষণ করেছে স্থানীয় মুদি দোকানি জামাল। এমন অভিযোগ এনে জামালসহ তার বাবা ফজলুর রহমান ও মা পারভীন বেগমকে আসামী করে মামলাটি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নির্যাতিতা যুবতী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এর আগে গত শুক্রবার রাতে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের যুবতীর বসতঘরে ধর্ষণের এঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক জামাল একই উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফজলুর রহমানের ছেলে।
নির্যাতিতা এজাহারে উল্লেখ করেন, যুবতীর বাড়ির পার্শ্ববতী স্থানে জামালের মুদি দোকান। ওই দোকানে কেনাকাটার সূত্র ধরে জামালের সাথে তার প্রেম সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সূত্র ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জামাল তার সাথে একধিকবার শারিরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিয়ের জন্য চাপ দিলে জামাল টালবাহানা শুরু করে। শুক্রবার রাতে তার বাবা বাড়িতে ছিলেন না। যুবতী ও তার মা বাড়িতে ছিলেন। ওই সময় ফের জামাল তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখায় এবং তার বাড়িতে এসে ধর্ষণ করেন। এসময় তার ডাক-চিৎকারে ধর্ষক জামাল পালিয়ে যায়।
এ বিষয়টি জামালের পরিবারকে জানালে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান। এবং জামালের পরিবার তাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন। এঘটনায় তিনি বাদী হয়ে জামালের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এবং তারা বাবা মাকে সহযোগী হিসেবে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামালা করেন।
চরফ্যাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন মিয়া জানান, জেলে কন্যা ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা।
Development by: webnewsdesign.com