বরগুনা বামনা উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাতেম আলী মাওলানার ছেলে মোঃ গোলাম আযম বাদল। বর্তমানে তিনি পোস্টমাস্টার হিসেবে চাকরিতে কর্মরত আছে মোঃ গোলাম আযম বাদল পোস্ট অফিসে চাকরির তথ্য গোপন রেখে ২০১৬ সালে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করে তিনি নির্বাচিত হন।
স্থানীয়রা বলেন, বাদল মেম্বার সরকারি চাকরি করে ও বর্তমানে তিনি ইউপি সদস্য হিসাবে সরকারের কোষাগার থেকে চাকরির বেতন ও ইউপি সদস্যের সম্মানী ভাতা ভোগ করে আসছে এটা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এরপরে তিনি ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি হিসেবে দুইবার নির্বাচিত হন ও আই সি এম কৃষি ক্লাবের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্থ বরাদ্দ ও সরকারের বরাদ্দকৃত আই সি এম কৃষি ক্লাবের মাড়াই মেশিন, পাওয়ার টিলার ও পানির পাম্পসহ অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্লিপের বরাদ্ধকৃত টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। মামলার বাদী মোহাম্মদ ইউনুস বলেন এই বাদল মেম্বার বিএনপি ওর্য়াড কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন।
তিনি বর্তমানে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন কিভাবে? কিছুদিন আগে এই বাদল মেম্বার জেলা পরিষদের কাছে মসজিদের নামে ঘাটলার আবেদন করে তিনি মসজিদে না দিয়ে নিজের বাড়ির পুকুরে ঘাটলাটি দিয়েছেন। এলাকায় বাদল মেম্বারের বয়স্ক ভাতা ও ভূয়া কাজী সেজে তার অপকর্ম ও দুর্নীতির শেষে নেই। আমাদের কাছে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে। তাই আমি এলাকার জনস্বার্থ নিজে বাদী হয়ে দুদকে ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অভিযোগ করছি।
এ বিষয়ে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বাদল মেম্বারের বিষয়ে আমার কাছে অনেক অভিযোগ আসছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিব। গোলাম আযম বাদল মেম্বার বলেন এলাকায় আমার যথেষ্ট শত্রু আছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলে। আমি বর্তমানে চাকরিতে কর্মরত আছি মেম্বার হিসাবে আমার যে ইউপি সদস্য সম্মানী ভাতা আমার ব্যাংক একাউন্টে জমা আছে। আমি উত্তোলন করি নাই।
Development by: webnewsdesign.com