সম্প্রতি একটি পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। উক্ত ঘটনার সাথে আমার কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে এই সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, লালমনিরহাট জেলার চর কুলাঘাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওয়াহেদ আলী পরিকল্পিতভাবে একটি বেসরকারি পত্রিকায় আমার সম্পর্কে অসত্য ও মনগড়া তথ্য সরবরাহ করেছেন।
প্রকৃতপক্ষে, উক্ত ওয়াহেদ আলীর কাছে আমার ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। পাওনা পরিশোধ এড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, ওয়াহেদ আলীর বিরুদ্ধে বর্তমানে একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি অতীতে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং বর্তমানে তার নামে ওয়ারেন্ট জারি আছে (মামলা নং CR-405/22)। তাই তার এহেন কর্মকাণ্ড আমার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার একটি স্পষ্ট অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।
আমি উক্ত মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি—ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য।
প্রতিবাদকারীর নাম ও পরিচয়
মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম
পিতা: মোহাম্মদ আব্দুস সোবাহান সরকার
গ্রাম: সাদুল্লাপুর
উপজেলা: পীরগঞ্জ
জেলা: রংপুর
Development by: webnewsdesign.com