কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড..

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ | ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

কুড়িগ্রামে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড..
apps

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গায় শালিস বৈঠকে কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিবেশী এক যুবককে হত্যায় মো. মাহালাম (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মৃ্ত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মান্নান তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. মাহালাম পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে এ রায় দেয়া হয়েছে।

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা গ্রামের মনছের আলীর ছেলে আমিনুর রহমান (২৩) এর সাথে প্রতিবেশী মৃত. বাসক শেখের ছেলে মো. মাহালামের মতবিরোধ চলছিল। ২০০৮ সালের ২৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আয়োজনে একই এলাকার শমসের আলীর বাড়িতে শালিস বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মাহালাম লুকিয়ে রাখা দা দিয়ে আমিনুর রহমানের মাথায় এবং হাতে কোপ দেয়। এসময় বৈঠকে উপস্থিত লোকজন মাহালামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তাকে।

গুরুতর আহত আমিনুর রহমানকে প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরদিন ২৬ জানুয়ারি আমিনুর রহমানের চাচা শামসুল হক (৪৫) বাদি হয়ে মাহালামকে আসামি করে নাগেশ্বরী থানায় মামলা দায়ের করেন। গুরুতর আহত আমিনুর রহমান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান। ফলে আমিনুর রহমানের চাচার দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়।

মাহালাম হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে জেলহাজত থেকে মুক্ত হয়ে কয়েকবার আদালতে উপস্থিত হলেও পরে আর হাজির না হয়ে পলাতক আছে।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন এবং আসামিপক্ষের অ্যাডভোকেট এটিএম এরশাদুল হক চৌধুরী শাহীন মামলা পরিচালনা করেন।

Development by: webnewsdesign.com